২রা নভেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১৭ই কার্তিক, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নোয়াখালীতে ১১৩ কেজির শাপলাপাতা মাছ জব্দ, অতঃপর

  • আপডেট: ০২:২১:৪২ অপরাহ্ণ, শনিবার, ৭ মার্চ ২০২৬
  • ৮৯১

মোঃ নুর হোসাইন :
নোয়াখালীর সদর উপজেলায় একটি মাছের আড়তে বিশেষ অভিযান চালিয়ে ১১৩ কেজি ওজনের একটি শাপলাপাতা মাছ (স্টিংরে) জব্দ করা হয়েছে। পরে মাছটি নোয়াখালী উপকূলীয় কার্যালয়ে নিয়ে মাটিচাপা দিয়ে বিনষ্ট করা হয়।

শুক্রবার (৬ মার্চ) সকাল ৮টার দিকে উপজেলার সোনাপুর বাজার মাছের আড়তে উপকূলীয় বন বিভাগ নোয়াখালীর বন্য প্রাণী ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ কর্মকর্তা ইব্রাহীম খলিলের নির্দেশনায় এ অভিযান চালানো হয়।

অভিযান সূত্রে জানা যায়, ভোরে সোনাপুর বাজার মাছের আড়তে এক ব্যবসায়ী বিক্রির উদ্দেশ্যে বড় আকারের একটি শাপলাপাতা মাছ নিয়ে আসেন। পরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সেখানে অভিযান চালানো হলে মাঝখানে কাটা অবস্থায় মাছটি জব্দ করা হয়। ওই সময় উপকূলীয় বনবিভাগের কর্মকর্তাদের উপস্থিতি টের পেয়ে মাছের আড়তের মালিক পালিয়ে যায়।

বন বিভাগের কর্মকর্তারা জানান, শাপলাপাতা মাছ বাংলাদেশের নদী ও উপকূলীয় জলজ বাস্তুতন্ত্রের একটি গুরুত্বপূর্ণ বন্যপ্রাণী। এটি সাধারণত নদী ও সাগরের তলদেশে বসবাস করে এবং ছোট মাছ ও অন্যান্য জলজ প্রাণী খেয়ে পরিবেশের খাদ্যচক্র ও ভারসাম্য বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। কিন্তু অতিরিক্ত শিকার, অবৈধ বেচাকেনা ও বাসস্থান ধ্বংসের কারণে বর্তমানে এ প্রজাতি মারাত্মক হুমকির মুখে পড়েছে।

নোয়াখালী জেলা বন্য প্রাণী ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ কর্মকর্তা ইব্রাহীম খলিল বলেন, বাংলাদেশ বন্য প্রাণী (সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা) অধ্যাদেশ, ২০২৬ অনুযায়ী এ ধরনের প্রাণী শিকার, ক্রয়-বিক্রয়, মজুত বা পরিবহন সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। বন্য প্রাণী ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং এ ধরনের অবৈধ কার্যক্রমের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

জাতীয় স্বার্থ অর্জনে ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টা প্রয়োজন: রাষ্ট্রপতি

নোয়াখালীতে ১১৩ কেজির শাপলাপাতা মাছ জব্দ, অতঃপর

আপডেট: ০২:২১:৪২ অপরাহ্ণ, শনিবার, ৭ মার্চ ২০২৬

মোঃ নুর হোসাইন :
নোয়াখালীর সদর উপজেলায় একটি মাছের আড়তে বিশেষ অভিযান চালিয়ে ১১৩ কেজি ওজনের একটি শাপলাপাতা মাছ (স্টিংরে) জব্দ করা হয়েছে। পরে মাছটি নোয়াখালী উপকূলীয় কার্যালয়ে নিয়ে মাটিচাপা দিয়ে বিনষ্ট করা হয়।

শুক্রবার (৬ মার্চ) সকাল ৮টার দিকে উপজেলার সোনাপুর বাজার মাছের আড়তে উপকূলীয় বন বিভাগ নোয়াখালীর বন্য প্রাণী ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ কর্মকর্তা ইব্রাহীম খলিলের নির্দেশনায় এ অভিযান চালানো হয়।

অভিযান সূত্রে জানা যায়, ভোরে সোনাপুর বাজার মাছের আড়তে এক ব্যবসায়ী বিক্রির উদ্দেশ্যে বড় আকারের একটি শাপলাপাতা মাছ নিয়ে আসেন। পরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সেখানে অভিযান চালানো হলে মাঝখানে কাটা অবস্থায় মাছটি জব্দ করা হয়। ওই সময় উপকূলীয় বনবিভাগের কর্মকর্তাদের উপস্থিতি টের পেয়ে মাছের আড়তের মালিক পালিয়ে যায়।

বন বিভাগের কর্মকর্তারা জানান, শাপলাপাতা মাছ বাংলাদেশের নদী ও উপকূলীয় জলজ বাস্তুতন্ত্রের একটি গুরুত্বপূর্ণ বন্যপ্রাণী। এটি সাধারণত নদী ও সাগরের তলদেশে বসবাস করে এবং ছোট মাছ ও অন্যান্য জলজ প্রাণী খেয়ে পরিবেশের খাদ্যচক্র ও ভারসাম্য বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। কিন্তু অতিরিক্ত শিকার, অবৈধ বেচাকেনা ও বাসস্থান ধ্বংসের কারণে বর্তমানে এ প্রজাতি মারাত্মক হুমকির মুখে পড়েছে।

নোয়াখালী জেলা বন্য প্রাণী ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ কর্মকর্তা ইব্রাহীম খলিল বলেন, বাংলাদেশ বন্য প্রাণী (সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা) অধ্যাদেশ, ২০২৬ অনুযায়ী এ ধরনের প্রাণী শিকার, ক্রয়-বিক্রয়, মজুত বা পরিবহন সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। বন্য প্রাণী ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং এ ধরনের অবৈধ কার্যক্রমের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।