২৩শে মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৯ই চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

নোয়াখালীর সুবর্ণচরে সন্ত্রাসী হামলা, ভাংচুর ও লুটপাটের অভিযোগ, মহিলা সহ আহত ৬

স্টাফ রিপোর্টার-
নোয়াখালীর সুবর্ণচরের চর বৈশাখী গ্রামে ছালেহা বেগম এর বসত বাড়িতে জায়গা নিয়ে বিরোধের জের ধরে সন্ত্রাসী হামলা, ভাংচুর ও বসত ঘর সহ মালামাল লুটপাট পিটিয়ে ও কুপিয়ে আহত করার অভিযোগ পাওয়া গেছে, সন্ত্রাসীদের হামলায় এঘটনায় ছালেহা বেগম (৫০) কহিনুর বেগম (৪০) তানিয়া বেগম(২৬), মোঃ রিপন (২৮), ওসমান গণি (২৪) সহ ও মহিলা সহ ৬ জন গুরুত্বর আহত হয়েছেন। আহতের মধ্যে গুরুত্বর অবস্থায় ছালেহা বেগম (৫০), কহিনুর বেগম ও মোঃ রিপনকে নোয়াখালীর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তাদের মধ্যে ছালেহা বেগম এর অবস্থা আশংকা জনক। অন্য আহতদেরকে প্রাথমিক চিকিৎসার পর ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।

ঘটনাটি ঘটেছে শুক্রবার (৩১ মে) বিকেলে। এ ঘটনায় চর জব্বর থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে।

শনিবার সন্ধ্যায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আহতদের স্বজনরা জানান, ভিক্টিম ছালেহা বেগম এর স্বামী হারুনুর রশিদ মৃত্যুর পর গত কয়েক বছর থেকে আবদুল আলীম, আজিজ, রুহুল আমিন সহ একটি চক্র আমাদের সম্পত্তি জবর দখল করার জন্য দীর্ঘদিন থেকে হুমকি ধুমকি ও মামলা হামলা ও জাল জালিয়াতির মাধ্যম দিয়ে হয়রানি করে আসছে। এর জের ধরে শুক্রবার বিকেলে আবদুল আলিম, আজিজ, ইসমাইল, বেলাল ও হেলাল এর নেতৃত্বে ৩০-৪০ জন সন্ত্রাসী ভাড়াটে লোকজন নিয়ে অতর্কিত আমাদের বসত বাড়িতে এসে হামলা, ভাংচুর ও লুটপাট চালায়।

এ সময় তাদের বাধা দিলে তারা দেশীয় অস্ত্র নিয়ে মহিলা সহ ৬ জন কে পিটিয়ে ও কুপিয়ে আহত করে এবং মহিলাদের বেদম মারধর করে। পরে তারা তাদের সন্ত্রাসী কায়দায় বসতঘর লুটপাট করে নিয়ে যায়। স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে গুরুত্বর অবস্থায় নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করে। বর্তমানে এই অসহায় পরিবারটি নিরাপত্তা হীনতায় ভুগছে।

চর জব্বর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কাউছার আলম ভূইয়া ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন এই ঘটনার সাথে সাথে আমি পুলিশ পাঠিয়েছি। ভিক্টিম পরিবার এজাহার দাখিল করলে আসামীদের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সর্বাধিক পঠিত

‘ঈদ যাত্রায় দু-একটি পরিবহন নির্ধারিত ভাড়ার চেয়েও কম নিচ্ছে’

নোয়াখালীর সুবর্ণচরে সন্ত্রাসী হামলা, ভাংচুর ও লুটপাটের অভিযোগ, মহিলা সহ আহত ৬

আপডেট: ০৩:৫৬:৪১ অপরাহ্ণ, শনিবার, ১ জুন ২০২৪

স্টাফ রিপোর্টার-
নোয়াখালীর সুবর্ণচরের চর বৈশাখী গ্রামে ছালেহা বেগম এর বসত বাড়িতে জায়গা নিয়ে বিরোধের জের ধরে সন্ত্রাসী হামলা, ভাংচুর ও বসত ঘর সহ মালামাল লুটপাট পিটিয়ে ও কুপিয়ে আহত করার অভিযোগ পাওয়া গেছে, সন্ত্রাসীদের হামলায় এঘটনায় ছালেহা বেগম (৫০) কহিনুর বেগম (৪০) তানিয়া বেগম(২৬), মোঃ রিপন (২৮), ওসমান গণি (২৪) সহ ও মহিলা সহ ৬ জন গুরুত্বর আহত হয়েছেন। আহতের মধ্যে গুরুত্বর অবস্থায় ছালেহা বেগম (৫০), কহিনুর বেগম ও মোঃ রিপনকে নোয়াখালীর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তাদের মধ্যে ছালেহা বেগম এর অবস্থা আশংকা জনক। অন্য আহতদেরকে প্রাথমিক চিকিৎসার পর ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।

ঘটনাটি ঘটেছে শুক্রবার (৩১ মে) বিকেলে। এ ঘটনায় চর জব্বর থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে।

শনিবার সন্ধ্যায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আহতদের স্বজনরা জানান, ভিক্টিম ছালেহা বেগম এর স্বামী হারুনুর রশিদ মৃত্যুর পর গত কয়েক বছর থেকে আবদুল আলীম, আজিজ, রুহুল আমিন সহ একটি চক্র আমাদের সম্পত্তি জবর দখল করার জন্য দীর্ঘদিন থেকে হুমকি ধুমকি ও মামলা হামলা ও জাল জালিয়াতির মাধ্যম দিয়ে হয়রানি করে আসছে। এর জের ধরে শুক্রবার বিকেলে আবদুল আলিম, আজিজ, ইসমাইল, বেলাল ও হেলাল এর নেতৃত্বে ৩০-৪০ জন সন্ত্রাসী ভাড়াটে লোকজন নিয়ে অতর্কিত আমাদের বসত বাড়িতে এসে হামলা, ভাংচুর ও লুটপাট চালায়।

এ সময় তাদের বাধা দিলে তারা দেশীয় অস্ত্র নিয়ে মহিলা সহ ৬ জন কে পিটিয়ে ও কুপিয়ে আহত করে এবং মহিলাদের বেদম মারধর করে। পরে তারা তাদের সন্ত্রাসী কায়দায় বসতঘর লুটপাট করে নিয়ে যায়। স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে গুরুত্বর অবস্থায় নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করে। বর্তমানে এই অসহায় পরিবারটি নিরাপত্তা হীনতায় ভুগছে।

চর জব্বর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কাউছার আলম ভূইয়া ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন এই ঘটনার সাথে সাথে আমি পুলিশ পাঠিয়েছি। ভিক্টিম পরিবার এজাহার দাখিল করলে আসামীদের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।