২৩শে মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৯ই চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

নোয়াখালী সদর উপজেলায় বিপুল অস্ত্রসহ ইউপি চেয়ারম্যান জসিম আটক

স্টাফ রিপোর্টার:
নোয়াখালী সদর উপজেলায় বিপুল অস্ত্রসহ ইউপি চেয়ারম্যান আটক জেলার সদর উপজেলার আন্ডারচর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মো. জসিম উদ্দিনকে বিপুল পরিমাণ অস্ত্রসহ আটক করেছে বিক্ষুব্ধ ছাত্র-জনতা।

রোববার (১ সেপ্টেম্বর) দুপুরে তার বাড়ি ঘেরাও করে কয়েক হাজার স্থানীয় জনতা। পরে বৈষম্যবিরোধী ছাত্ররা গণরোষ থেকে বাঁচাতে তাকে পুলিশ ও সেনাবাহিনীর হাতে তুলে দেয়। এ সময় তার সহযোগী এক ভাতিজাকেও বাড়ি থেকে আটক করা হয়। পরে বাড়ি তল্লাশি করে একটি বিদেশি পিস্তল, তিন রাউন্ড গুলি, দুটি পিস্তলসদৃশ বস্তু এবং কিরিচসহ বিপুল পরিমাণ দেশীয় অস্ত্র জব্দ করা হয়েছে। এক পর্যায়ে কয়েক হাজার জনতাকে নিয়ন্ত্রণ করতে হিমশিম খেতে হয় সেনাবাহিনীর সদস্যদের। পরে জসিমকে খুনি আখ্যা দিয়ে তার ফাঁসির দাবিতে বিক্ষোভ প্রদর্শন করে এলাকাবাসী।

চেয়ারম্যান জসিম উদ্দিন নোয়াখালী-৪ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য একরামুল করিম চৌধুরীর ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত। তিনি এলাকায় সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি, মানুষ হত্যা-গুমসহ নানা অপরাধে জড়িত থাকার অভিযোগ এলাকাবাসীর। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক আন্ডারচরের এক অধিবাসী বলেন, জসিম এক সময় ছিঁচকে চোর ছিলেন। একরামুল করিম চৌধুরীর হাত ধরে ইউপি সদস্য নির্বাচিত হন। পরে একরামের আস্থাভাজন হিসেবে তিনি জসিমকে জোর করে এ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদে বসিয়েছেন।
এলাকাবাসীর অভিযোগ, জসিম চেয়ারম্যান হওয়ার পর থেকে তার বাড়ি ও অফিসে টর্চার সেল তৈরি করে লোকজনকে আটকে অমানবিক নির্যাতন করতেন। তার হাত থেকে নারী-পুরুষ এমনকি বৃদ্ধরাও রেহাই পায়নি।

সুধারাম মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মীর জাহেদুল হক রনি বলেন, জসিম উদ্দিন ও তার সহযোগীর বিরুদ্ধে অস্ত্র আইনে মামলা রুজু করা হচ্ছে।

সর্বাধিক পঠিত

‘ঈদ যাত্রায় দু-একটি পরিবহন নির্ধারিত ভাড়ার চেয়েও কম নিচ্ছে’

নোয়াখালী সদর উপজেলায় বিপুল অস্ত্রসহ ইউপি চেয়ারম্যান জসিম আটক

আপডেট: ০২:০২:২৬ অপরাহ্ণ, সোমবার, ২ সেপ্টেম্বর ২০২৪

স্টাফ রিপোর্টার:
নোয়াখালী সদর উপজেলায় বিপুল অস্ত্রসহ ইউপি চেয়ারম্যান আটক জেলার সদর উপজেলার আন্ডারচর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মো. জসিম উদ্দিনকে বিপুল পরিমাণ অস্ত্রসহ আটক করেছে বিক্ষুব্ধ ছাত্র-জনতা।

রোববার (১ সেপ্টেম্বর) দুপুরে তার বাড়ি ঘেরাও করে কয়েক হাজার স্থানীয় জনতা। পরে বৈষম্যবিরোধী ছাত্ররা গণরোষ থেকে বাঁচাতে তাকে পুলিশ ও সেনাবাহিনীর হাতে তুলে দেয়। এ সময় তার সহযোগী এক ভাতিজাকেও বাড়ি থেকে আটক করা হয়। পরে বাড়ি তল্লাশি করে একটি বিদেশি পিস্তল, তিন রাউন্ড গুলি, দুটি পিস্তলসদৃশ বস্তু এবং কিরিচসহ বিপুল পরিমাণ দেশীয় অস্ত্র জব্দ করা হয়েছে। এক পর্যায়ে কয়েক হাজার জনতাকে নিয়ন্ত্রণ করতে হিমশিম খেতে হয় সেনাবাহিনীর সদস্যদের। পরে জসিমকে খুনি আখ্যা দিয়ে তার ফাঁসির দাবিতে বিক্ষোভ প্রদর্শন করে এলাকাবাসী।

চেয়ারম্যান জসিম উদ্দিন নোয়াখালী-৪ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য একরামুল করিম চৌধুরীর ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত। তিনি এলাকায় সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি, মানুষ হত্যা-গুমসহ নানা অপরাধে জড়িত থাকার অভিযোগ এলাকাবাসীর। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক আন্ডারচরের এক অধিবাসী বলেন, জসিম এক সময় ছিঁচকে চোর ছিলেন। একরামুল করিম চৌধুরীর হাত ধরে ইউপি সদস্য নির্বাচিত হন। পরে একরামের আস্থাভাজন হিসেবে তিনি জসিমকে জোর করে এ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদে বসিয়েছেন।
এলাকাবাসীর অভিযোগ, জসিম চেয়ারম্যান হওয়ার পর থেকে তার বাড়ি ও অফিসে টর্চার সেল তৈরি করে লোকজনকে আটকে অমানবিক নির্যাতন করতেন। তার হাত থেকে নারী-পুরুষ এমনকি বৃদ্ধরাও রেহাই পায়নি।

সুধারাম মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মীর জাহেদুল হক রনি বলেন, জসিম উদ্দিন ও তার সহযোগীর বিরুদ্ধে অস্ত্র আইনে মামলা রুজু করা হচ্ছে।