২১শে মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৭ই চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

শক্তি বাড়াচ্ছে ঘূর্ণিঝড় ‘মোন্থা’ উপকূলীয় অঞ্চলে সর্বোচ্চ সতর্কতা জারি

বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড় ‘মোন্থা’ শক্তি বাড়িয়ে দ্রুত ভারতের অন্ধ্র প্রদেশের উপকূলের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। আবহাওয়া দপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, মঙ্গলবার (২৮ অক্টোবর) রাতে এটি রাজ্যটির কাকিনাড়া উপকূলীয় অঞ্চলে আছড়ে পড়তে পারে। এই দুর্যোগের প্রভাব বিবেচনায় নিয়ে পশ্চিমবঙ্গের উপকূলীয় অঞ্চলসহ পার্শ্ববর্তী জেলাগুলোতেও সতর্কতা জারি করা হয়েছে।

সমুদ্র উত্তাল থাকায় পশ্চিমবঙ্গ সরকার আগামী তিন দিনের জন্য মৎস্যজীবীদের গভীর সমুদ্রে যাওয়ার ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে। মেদিনীপুর, নামখানা, কাকদ্বীপসহ উপকূলীয় অঞ্চলের জেলা প্রশাসন মাইকিং করে সতর্কতা প্রচার করছে এবং রাজ্যের দুর্যোগ মোকাবিলা বাহিনীকে প্রস্তুত থাকার নির্দেশ দিয়েছে।

কলকাতার আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছেন, ঘূর্ণিঝড় ‘মোন্থার’ প্রভাবে কলকাতাসহ হাওড়া, হুগলি, উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর, বীরভূম ও নদীয়া জেলাতে মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। বিশেষ করে পশ্চিমবঙ্গের উপকূলীয় অঞ্চলের পূর্ব মেদিনীপুর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনায় বজ্রপাতসহ অতি ভারী বৃষ্টির আশঙ্কা রয়েছে। এ সময় ঘণ্টায় ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার গতিতে দমকা হাওয়া বইতে পারে।

উত্তরবঙ্গের দার্জিলিং ও কালিম্পংয়ে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে, তবে বাকি জেলাগুলোতে হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকলেও ঝড়ের কোনো আশঙ্কা নেই।

মঙ্গলবার (২৮ অক্টোবর) সকাল থেকে পশ্চিমবঙ্গের আকাশ ঝলমলে থাকলেও, সন্ধ্যার পরে মেঘলা আকাশ ও বজ্রপাতসহ বৃষ্টির আশঙ্কা রয়েছে। রাজ্যের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা থাকবে ২৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস ও সর্বোচ্চ তাপমাত্রা থাকবে ৩১ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

এদিকে, ঘূর্ণিঝড়ের কারণে অন্ধ্রপ্রদেশের কাকিনাড়া উপকূলীয় অঞ্চল ও বিশাখাপত্তনম হয়ে চলাচলকারী অন্তত ৬৫টি ট্রেন মঙ্গলবার ও বুধবারের জন্য বাতিল করা হয়েছে। রেলের পাশাপাশি সব ফ্লাইটও বাতিল করা হয়েছে বলে ভারতীয় রেলের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।

সর্বাধিক পঠিত

‘ঈদ যাত্রায় দু-একটি পরিবহন নির্ধারিত ভাড়ার চেয়েও কম নিচ্ছে’

শক্তি বাড়াচ্ছে ঘূর্ণিঝড় ‘মোন্থা’ উপকূলীয় অঞ্চলে সর্বোচ্চ সতর্কতা জারি

আপডেট: ০৮:৫২:৪৫ অপরাহ্ণ, মঙ্গলবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৫

বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড় ‘মোন্থা’ শক্তি বাড়িয়ে দ্রুত ভারতের অন্ধ্র প্রদেশের উপকূলের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। আবহাওয়া দপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, মঙ্গলবার (২৮ অক্টোবর) রাতে এটি রাজ্যটির কাকিনাড়া উপকূলীয় অঞ্চলে আছড়ে পড়তে পারে। এই দুর্যোগের প্রভাব বিবেচনায় নিয়ে পশ্চিমবঙ্গের উপকূলীয় অঞ্চলসহ পার্শ্ববর্তী জেলাগুলোতেও সতর্কতা জারি করা হয়েছে।

সমুদ্র উত্তাল থাকায় পশ্চিমবঙ্গ সরকার আগামী তিন দিনের জন্য মৎস্যজীবীদের গভীর সমুদ্রে যাওয়ার ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে। মেদিনীপুর, নামখানা, কাকদ্বীপসহ উপকূলীয় অঞ্চলের জেলা প্রশাসন মাইকিং করে সতর্কতা প্রচার করছে এবং রাজ্যের দুর্যোগ মোকাবিলা বাহিনীকে প্রস্তুত থাকার নির্দেশ দিয়েছে।

কলকাতার আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছেন, ঘূর্ণিঝড় ‘মোন্থার’ প্রভাবে কলকাতাসহ হাওড়া, হুগলি, উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর, বীরভূম ও নদীয়া জেলাতে মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। বিশেষ করে পশ্চিমবঙ্গের উপকূলীয় অঞ্চলের পূর্ব মেদিনীপুর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনায় বজ্রপাতসহ অতি ভারী বৃষ্টির আশঙ্কা রয়েছে। এ সময় ঘণ্টায় ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার গতিতে দমকা হাওয়া বইতে পারে।

উত্তরবঙ্গের দার্জিলিং ও কালিম্পংয়ে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে, তবে বাকি জেলাগুলোতে হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকলেও ঝড়ের কোনো আশঙ্কা নেই।

মঙ্গলবার (২৮ অক্টোবর) সকাল থেকে পশ্চিমবঙ্গের আকাশ ঝলমলে থাকলেও, সন্ধ্যার পরে মেঘলা আকাশ ও বজ্রপাতসহ বৃষ্টির আশঙ্কা রয়েছে। রাজ্যের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা থাকবে ২৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস ও সর্বোচ্চ তাপমাত্রা থাকবে ৩১ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

এদিকে, ঘূর্ণিঝড়ের কারণে অন্ধ্রপ্রদেশের কাকিনাড়া উপকূলীয় অঞ্চল ও বিশাখাপত্তনম হয়ে চলাচলকারী অন্তত ৬৫টি ট্রেন মঙ্গলবার ও বুধবারের জন্য বাতিল করা হয়েছে। রেলের পাশাপাশি সব ফ্লাইটও বাতিল করা হয়েছে বলে ভারতীয় রেলের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।