১৯শে জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৫ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বিদ্রোহী প্রার্থীর পক্ষে প্রচারণা: নোয়াখালীতে বিএনপির ১৮ নেতাকে বহিষ্কার

  • আপডেট: ০৬:২২:৩২ অপরাহ্ণ, বুধবার, ২৮ জানুয়ারি ২০২৬
  • ৮৮৬

মোঃ নুর হোসাইন :
নোয়াখালী-২ (সেনবাগ ও সোনাইমুড়ীর আংশিক) আসনে দলীয় সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে গিয়ে স্বতন্ত্র (বিদ্রোহী) প্রার্থী কাজী মফিজুর রহমানের পক্ষে নির্বাচনী কর্মকাণ্ড পরিচালনার অভিযোগে উপজেলা বিএনপির যুগ্ম-আহ্বায়ক জাহাঙ্গীর হোসেন চৌধুরী ও ড.নজরুল ইসলাম ফারুকসহ ১৮ নেতাকর্মিকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

বুধবার (২৮ জানুয়ারি) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মাহবুব আলমগীর আলো। এর আগে, গতকাল মঙ্গলবার বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভীর স্বক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বহিষ্কৃত অন্য নেতারা হলেন, বিএনপি নেতা এডভোকেট সাখাওয়াত উল্যাহ লিটন, মমিন উল্যাহ চেয়ারম্যান, মির্জা মো.সোলাইমান, মোয়াজ্জেম হোসেন সেলিম, গোলাম হোসেন খন্দকার, উপজেলা বিএনপির সদস্য ওবায়দুল হক চেয়ারম্যান, আবুল কালাম আজাদ, নুরুজ্জামান চৌধুরী, আবু জাহের চৌধুরী জাফর, শাহেদুল করিম মারুফ, মাস্টার দলিলুর রহমান, সেনবাগ পৌর বিএনপির যুগ্ম-আহ্বায়ক কামাল উদ্দিন বাবলু, রেজাউল হক হেলাল, তাজুল ইসলাম রতন, পৌর বিএনপির সদস্য মহিউদ্দিন কমিশনার ও শহীদ উল্যাহ হেলাল।

সেনবাগ উপজেলা বিএনপির বহিষ্কৃত যুগ্ম-আহ্বায়ক জাহাঙ্গীর হোসেন চৌধুরী বলেন, আমরা দলের বিপক্ষে নই,আমরা প্রার্থীর বিপক্ষে। বিএনপির বিদ্রোহী স্বতন্ত্র প্রাথী কাজী মফিজ দুঃসময়ে দলের নেতাকর্মিদের সাথে ছিলেন। আমরা বর্তমানে তার সাথে রয়েছি। দল আগে আমাদের প্রার্থীকে বহিষ্কার করেছে। দল থেকে আমাদের বহিষ্কারের কথা শুনেছি। তবে লিখিত কোন কাগজ পাইনি।

নোয়াখালী জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মাহবুব আলমগীর আলো আরও বলেন, দলীয় প্রার্থীর পক্ষে ভোট না করায় কেন্দ্র থেকে এই সিন্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে শুনেছি।

সর্বাধিক পঠিত

‘ঈদ যাত্রায় দু-একটি পরিবহন নির্ধারিত ভাড়ার চেয়েও কম নিচ্ছে’

বিদ্রোহী প্রার্থীর পক্ষে প্রচারণা: নোয়াখালীতে বিএনপির ১৮ নেতাকে বহিষ্কার

আপডেট: ০৬:২২:৩২ অপরাহ্ণ, বুধবার, ২৮ জানুয়ারি ২০২৬

মোঃ নুর হোসাইন :
নোয়াখালী-২ (সেনবাগ ও সোনাইমুড়ীর আংশিক) আসনে দলীয় সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে গিয়ে স্বতন্ত্র (বিদ্রোহী) প্রার্থী কাজী মফিজুর রহমানের পক্ষে নির্বাচনী কর্মকাণ্ড পরিচালনার অভিযোগে উপজেলা বিএনপির যুগ্ম-আহ্বায়ক জাহাঙ্গীর হোসেন চৌধুরী ও ড.নজরুল ইসলাম ফারুকসহ ১৮ নেতাকর্মিকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

বুধবার (২৮ জানুয়ারি) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মাহবুব আলমগীর আলো। এর আগে, গতকাল মঙ্গলবার বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভীর স্বক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বহিষ্কৃত অন্য নেতারা হলেন, বিএনপি নেতা এডভোকেট সাখাওয়াত উল্যাহ লিটন, মমিন উল্যাহ চেয়ারম্যান, মির্জা মো.সোলাইমান, মোয়াজ্জেম হোসেন সেলিম, গোলাম হোসেন খন্দকার, উপজেলা বিএনপির সদস্য ওবায়দুল হক চেয়ারম্যান, আবুল কালাম আজাদ, নুরুজ্জামান চৌধুরী, আবু জাহের চৌধুরী জাফর, শাহেদুল করিম মারুফ, মাস্টার দলিলুর রহমান, সেনবাগ পৌর বিএনপির যুগ্ম-আহ্বায়ক কামাল উদ্দিন বাবলু, রেজাউল হক হেলাল, তাজুল ইসলাম রতন, পৌর বিএনপির সদস্য মহিউদ্দিন কমিশনার ও শহীদ উল্যাহ হেলাল।

সেনবাগ উপজেলা বিএনপির বহিষ্কৃত যুগ্ম-আহ্বায়ক জাহাঙ্গীর হোসেন চৌধুরী বলেন, আমরা দলের বিপক্ষে নই,আমরা প্রার্থীর বিপক্ষে। বিএনপির বিদ্রোহী স্বতন্ত্র প্রাথী কাজী মফিজ দুঃসময়ে দলের নেতাকর্মিদের সাথে ছিলেন। আমরা বর্তমানে তার সাথে রয়েছি। দল আগে আমাদের প্রার্থীকে বহিষ্কার করেছে। দল থেকে আমাদের বহিষ্কারের কথা শুনেছি। তবে লিখিত কোন কাগজ পাইনি।

নোয়াখালী জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মাহবুব আলমগীর আলো আরও বলেন, দলীয় প্রার্থীর পক্ষে ভোট না করায় কেন্দ্র থেকে এই সিন্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে শুনেছি।