
স্টাফ রিপোর্টার:
নোয়াখালী বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সংগঠক ও জাতীয় যুবশক্তির এক নেতার ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে। সোমবার (২ মার্চ) বিকেলে নেয়াজপুর ইউনিয়নে সংঘটিত এ ঘটনায় গুরুতর আহত হয়েছেন মোহাম্মদ ইয়াসিন আরাফাত (২৬)
এ ঘটনায় আজ ভুক্তভোগী ইয়াসিন আরাফাত বাদী হয়ে দুজনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত আরও ১০-১৫ জনকে বিবাদী করে সুধারাম মডেল থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করা হয়েছে।
নোয়াখালী সদর উপজেলার নেয়াজপুর ইউনিয়নের করিমপুর গ্রামে ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাবেক সেক্রেটারি মো. জীবন প্রকাশ তাজু ও সহসভাপতি ইয়াসিন রাজুর নেতৃত্বে এ হামলার ঘটনা ঘটেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। আহত মোহাম্মদ ইয়াসিন আরাফাত নেয়াজপুর ইউনিয়নের করিমপুর গ্রামের মো. নিজাম উদ্দিন খন্দকারের ছেলে এবং এনসিপির অঙ্গ সংগঠন জাতীয় যুবশক্তির নোয়াখালী জেলার সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক। এ ছাড়া তিনি জুলাই গণঅভ্যুত্থানে নোয়াখালীর একজন সক্রিয় অংশগ্রহণকারী ছিলেন।
ভুক্তভোগী ইয়াসিন আরাফাত বলেন, ‘ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ১১-দলীয় জোটের পক্ষে নোয়াখালী-৫ (কবিরহাট-কোম্পানীগঞ্জ ও সদরের আংশিক) আসনে ভোট করাকে কেন্দ্র করে নেয়াজপুর ইউনিয়ন ছাত্রদলের সেক্রেটারি মো. জীবন প্রকাশ তাজু ও সাবেক সহসভাপতি ইয়াসিন রাজুর নেতৃত্বে করিমপুর মসজিদ সংলগ্ন স্থানে অজ্ঞাত ১০-১৫ জন সন্ত্রাসী ক্রিকেট খেলার স্টাম্প দিয়ে এলোপাতাড়ি আঘাত করতে থাকে। পরবর্তী সময়ে আমি অজ্ঞান হয়ে পড়লে আমাকে মোটরসাইকেলযোগে অপহরণ করে ইউনিয়নের ধৈন্যপুর নামক স্থানে নিয়ে যায় এবং সেখানেও এলোপাতাড়ি মারধর করে। এ সময় চিৎকার শুনে স্থানীয়রা এগিয়ে এসে আমাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে আসলে প্রাণে বেঁচে যাই।’
এদিকে এ ঘটনার নিন্দা জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নোয়াখালী জেলা। নেতারা ঘটনার সুষ্ঠ তদন্ত ও দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করেছেন।








