২১শে মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৭ই চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

দেশে ফিরে বিয়ে করা হলো না মামুনের, যুক্তরাষ্ট্রে স্ট্রোক করে মৃত্যু

  • অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট: ১০:২৪:০৫ পূর্বাহ্ণ, বুধবার, ১৭ জানুয়ারি ২০২৪
  • ১৬৭১

স্টাফ রির্পোটার-
যুক্তরাষ্ট্রের পেনসিলভেনিয়ায় ব্রেইন স্ট্রোক করে নোয়াখালীর এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে।

মৃত মো.মামুনুর রশীদ ওরফে মামুন (৩৬) জেলার সোনাইমুড়ী উপজেলার আমিশাপাড়া ইউনিয়নের ৭নম্বর ওয়ার্ডের পদিপাড়া গ্রামের সফি উল্যাহর ছেলে।
গতকাল মঙ্গলবার (১৬ জানুয়ারি) স্থানীয় সময় রাত সোয়া ১১টার দিকে পেনসিলভেনিয়া শহরে এ ঘটনা ঘটে।

যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী মো.মহসিন ওরফে লাল মিয়া জানান, পেনসিলভেনিয়া যাত্রী নিয়ে যায় মামুনুর। এরপর সেখান থেকে যাত্রী নামিয়ে নিউইয়র্ক ফেরার পথে গাড়িতে অসুস্থ হয়ে পড়ে সে। একপর্যায়ে বমি করে অজ্ঞান হয়ে পড়ে। পরে তাকে হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে আমিশাপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো.খলিলুর রহমান সেলিম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, তিন ভাই চার বোনের মধ্যে মামুন সবার বড় ছিল। ২০১৮ সালের ৩১ ডিসেম্বর যুক্তরাষ্ট্রে যান। বৈধ কাগজপত্র পাওয়ার পর দেশে এসে বিয়ে করার কথা ছিল তার। প্রবাসী যুবকের মরদেহ দেশে আনতে সরকারের সহযোগিতা চেয়েছে স্বজনেরা।

সর্বাধিক পঠিত

‘ঈদ যাত্রায় দু-একটি পরিবহন নির্ধারিত ভাড়ার চেয়েও কম নিচ্ছে’

দেশে ফিরে বিয়ে করা হলো না মামুনের, যুক্তরাষ্ট্রে স্ট্রোক করে মৃত্যু

আপডেট: ১০:২৪:০৫ পূর্বাহ্ণ, বুধবার, ১৭ জানুয়ারি ২০২৪

স্টাফ রির্পোটার-
যুক্তরাষ্ট্রের পেনসিলভেনিয়ায় ব্রেইন স্ট্রোক করে নোয়াখালীর এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে।

মৃত মো.মামুনুর রশীদ ওরফে মামুন (৩৬) জেলার সোনাইমুড়ী উপজেলার আমিশাপাড়া ইউনিয়নের ৭নম্বর ওয়ার্ডের পদিপাড়া গ্রামের সফি উল্যাহর ছেলে।
গতকাল মঙ্গলবার (১৬ জানুয়ারি) স্থানীয় সময় রাত সোয়া ১১টার দিকে পেনসিলভেনিয়া শহরে এ ঘটনা ঘটে।

যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী মো.মহসিন ওরফে লাল মিয়া জানান, পেনসিলভেনিয়া যাত্রী নিয়ে যায় মামুনুর। এরপর সেখান থেকে যাত্রী নামিয়ে নিউইয়র্ক ফেরার পথে গাড়িতে অসুস্থ হয়ে পড়ে সে। একপর্যায়ে বমি করে অজ্ঞান হয়ে পড়ে। পরে তাকে হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে আমিশাপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো.খলিলুর রহমান সেলিম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, তিন ভাই চার বোনের মধ্যে মামুন সবার বড় ছিল। ২০১৮ সালের ৩১ ডিসেম্বর যুক্তরাষ্ট্রে যান। বৈধ কাগজপত্র পাওয়ার পর দেশে এসে বিয়ে করার কথা ছিল তার। প্রবাসী যুবকের মরদেহ দেশে আনতে সরকারের সহযোগিতা চেয়েছে স্বজনেরা।