১৮ই জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৪ঠা আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নোয়াখালীতে হত্যার পরে গৃহবধূর পা বাধা লাশ ফেলে রাখা হয় খালে

  • অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট: ০৯:৩০:১৪ পূর্বাহ্ণ, বৃহস্পতিবার, ১৮ জানুয়ারি ২০২৪
  • ২৭৫৭

স্টাফ রির্পোটার-
নোয়াখালীর সুবর্ণচরে এক গৃহবধূকে হত্যার পর মরদেহ খালে ফেলে গেছে দুর্বৃত্তরা। তবে পুলিশ ও নিহতের স্বজনেরা তাৎক্ষণিক হত্যাকান্ডের কোনো কারণ জানাতে পারেনি।

নিহত বিবি হালিমা বেগম (৪৭) উপজেলার চরজব্বর ইউনিয়নের ৭নম্বর ওয়ার্ডের চর পানা উল্যাহ গ্রামের জসিম উদ্দিনের স্ত্রী। তিনি ৫ ছেলের জননী ছিল।

বৃহস্পতিবার (১৮ জানুয়ারি) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে উপজেলার চর পানা উল্যাহ গ্রামের মালেক খাল থেকে ওই গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এর আগে, গতকাল বুধবার রাতে এ হত্যাকান্ড ঘটে বলে ধারণা করছে স্থানীয়রা।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, নিহত নারী একাই স্বামীর বাড়িতে থাকত। গত ১০-১২ বছর তার সাথে স্বামীর সম্পর্ক কম। তার ৫ ছেলের কেউই তার সাথে সব সময় থাকত না। তারা সপ্তাহে একবার আসত। সে প্রায় একাই ঘরে থাকত। গতকাল সে জেলা শহর মাইজদী থেকে সন্ধ্যার দিকে নিজ বাড়িতে আসে। প্রতিদিনের ন্যায় যথারীতি রাতে নিজের ঘরে ঘুমিয়ে পড়ে। সকাল ৮টার দিকে স্থানীয় লোকজন তার দুই পা বাধা মরদেহ বাড়ির পাশে মালেক খালে পড়ে থাকতে দেখে পুলিশে খবর দেয়।

চরজব্বর থানার ওসির দায়িত্বে থাকা পরিদর্শক (তদন্ত) জয়নাল আবেদীন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন। নিহত নারীর বাম চোখে ও মাথায় আঘাতের চিহৃ রয়েছে। প্রাথমিক ভাবে ধারণা করা হচ্ছে এটি একটি হত্যাকান্ড। খবর পেয়ে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার ময়না তদন্তের জন্য মরদেহ ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের মর্গে প্রেরণ করে। ময়না তদন্তের রিপোর্ট পেলে মৃত্যু সঠিক কারণ জানা যাবে। একই সাথে পুলিশ হত্যার রহস্য উদঘাটনে চেষ্টা চালাচ্ছে।

সর্বাধিক পঠিত

‘ঈদ যাত্রায় দু-একটি পরিবহন নির্ধারিত ভাড়ার চেয়েও কম নিচ্ছে’

নোয়াখালীতে হত্যার পরে গৃহবধূর পা বাধা লাশ ফেলে রাখা হয় খালে

আপডেট: ০৯:৩০:১৪ পূর্বাহ্ণ, বৃহস্পতিবার, ১৮ জানুয়ারি ২০২৪

স্টাফ রির্পোটার-
নোয়াখালীর সুবর্ণচরে এক গৃহবধূকে হত্যার পর মরদেহ খালে ফেলে গেছে দুর্বৃত্তরা। তবে পুলিশ ও নিহতের স্বজনেরা তাৎক্ষণিক হত্যাকান্ডের কোনো কারণ জানাতে পারেনি।

নিহত বিবি হালিমা বেগম (৪৭) উপজেলার চরজব্বর ইউনিয়নের ৭নম্বর ওয়ার্ডের চর পানা উল্যাহ গ্রামের জসিম উদ্দিনের স্ত্রী। তিনি ৫ ছেলের জননী ছিল।

বৃহস্পতিবার (১৮ জানুয়ারি) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে উপজেলার চর পানা উল্যাহ গ্রামের মালেক খাল থেকে ওই গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এর আগে, গতকাল বুধবার রাতে এ হত্যাকান্ড ঘটে বলে ধারণা করছে স্থানীয়রা।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, নিহত নারী একাই স্বামীর বাড়িতে থাকত। গত ১০-১২ বছর তার সাথে স্বামীর সম্পর্ক কম। তার ৫ ছেলের কেউই তার সাথে সব সময় থাকত না। তারা সপ্তাহে একবার আসত। সে প্রায় একাই ঘরে থাকত। গতকাল সে জেলা শহর মাইজদী থেকে সন্ধ্যার দিকে নিজ বাড়িতে আসে। প্রতিদিনের ন্যায় যথারীতি রাতে নিজের ঘরে ঘুমিয়ে পড়ে। সকাল ৮টার দিকে স্থানীয় লোকজন তার দুই পা বাধা মরদেহ বাড়ির পাশে মালেক খালে পড়ে থাকতে দেখে পুলিশে খবর দেয়।

চরজব্বর থানার ওসির দায়িত্বে থাকা পরিদর্শক (তদন্ত) জয়নাল আবেদীন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন। নিহত নারীর বাম চোখে ও মাথায় আঘাতের চিহৃ রয়েছে। প্রাথমিক ভাবে ধারণা করা হচ্ছে এটি একটি হত্যাকান্ড। খবর পেয়ে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার ময়না তদন্তের জন্য মরদেহ ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের মর্গে প্রেরণ করে। ময়না তদন্তের রিপোর্ট পেলে মৃত্যু সঠিক কারণ জানা যাবে। একই সাথে পুলিশ হত্যার রহস্য উদঘাটনে চেষ্টা চালাচ্ছে।