২৩শে মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৯ই চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

নোয়াখালীতে শত্রুতার বিষে মরলো খামারের মাছ

স্টাফ রিপোর্টার-
নোয়াখালী সদর উপজেলার নোয়াখালী ইউনিয়নে প্রতিপক্ষের দেওয়া শত্রুতার বিষে মরলো মৎস্য খামারের ৩ লাখ টাকার পোনা মাছ।

ঊুধবার (১৫ মে) ভোর রাতে উপজেলার নোয়াখালী মৌজার মেফতা হোসেনের মৎস্য খামারে এই ঘটনা ঘটে।

খামারের কেয়ারটেকার মো. জহিরুল হক বলেন, তিনি আবুধাবি প্রবাসী মেফতা হোসেনের ওই মৎস্য খামারে কেয়ারটেকার হিসেবে কর্মরত থেকে রুই, কাতল, তেলাপিয়া, শিং, ব্লার্ড কাপ, গ্লাস কাপ, কারপুসহ বিভিন্ন প্রজাতির মাছের পোনা উৎপাদন করে পাইকারী ও খুচরা বিক্রি করে আসছেন। গতকাল মঙ্গলবার বিকালে প্রতিবেশী জামাল উদ্দিন ও জানু’র একটি গরু এবং কয়েকটি ছাগাল খামারের ভিতরে প্রবেশ করে কয়েকটি ফলজ গাছ নষ্ট করে ফেলে। পরে তিনি গরুটিকে নিয়ে খামারে বেঁধে রাখেন। এই নিয়ে জামালের ছেলে রনি ও জানুর সঙ্গে তার বাকবিতন্ডা হয়। এক পর্যায়ে কেয়ারটেকার জহিরুল হককে দেখে নেওয়ার হুমকি দেন।

বুধবার ভোর সকালে আশপাশের লোকজন খামারের মাছের পোনাগুলে মরে ভাসতে দেখে কেয়ারটেকার জহিরুল হক ও স্থানীয় ইউপি সদস্য জাহিদুল ইসলাম পারভেজকে অবগত করেন। এরআগেই খামারের সব মাছের পোনা মরে যায়।

কেয়ারটেকার মো. জহিরুল হক বলেন, খামারে উৎপাদিত রুই, কাতল, তেলাপিয়া, শিং, ব্লার্ড কাপ, গ্লাস কাপ, কারপুসহ বিভিন্ন প্রজাতির মাছের পোনা মরে ৩ লক্ষাধিক টাকার ক্ষতি হয়। এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তপূর্বক বিচার দাবি করেন জহিরুল হক।

স্থানীয় ইউপি সদস্য জাহিদুল ইসলাম পারভেজ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, বিষক্রিয়ায় খামারের সব মাছ মারে গেছে। কে বা কারা এই ঘটনা ঘটিয়েছে, তা খোজঁখবর নিয়ে বিচারের আওতায় আনা হবে। অন্যথায় ভুক্তভোগীদের আইনের আশ্রয়ে যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হবে।

সর্বাধিক পঠিত

‘ঈদ যাত্রায় দু-একটি পরিবহন নির্ধারিত ভাড়ার চেয়েও কম নিচ্ছে’

নোয়াখালীতে শত্রুতার বিষে মরলো খামারের মাছ

আপডেট: ০২:২৭:৫২ অপরাহ্ণ, বুধবার, ১৫ মে ২০২৪

স্টাফ রিপোর্টার-
নোয়াখালী সদর উপজেলার নোয়াখালী ইউনিয়নে প্রতিপক্ষের দেওয়া শত্রুতার বিষে মরলো মৎস্য খামারের ৩ লাখ টাকার পোনা মাছ।

ঊুধবার (১৫ মে) ভোর রাতে উপজেলার নোয়াখালী মৌজার মেফতা হোসেনের মৎস্য খামারে এই ঘটনা ঘটে।

খামারের কেয়ারটেকার মো. জহিরুল হক বলেন, তিনি আবুধাবি প্রবাসী মেফতা হোসেনের ওই মৎস্য খামারে কেয়ারটেকার হিসেবে কর্মরত থেকে রুই, কাতল, তেলাপিয়া, শিং, ব্লার্ড কাপ, গ্লাস কাপ, কারপুসহ বিভিন্ন প্রজাতির মাছের পোনা উৎপাদন করে পাইকারী ও খুচরা বিক্রি করে আসছেন। গতকাল মঙ্গলবার বিকালে প্রতিবেশী জামাল উদ্দিন ও জানু’র একটি গরু এবং কয়েকটি ছাগাল খামারের ভিতরে প্রবেশ করে কয়েকটি ফলজ গাছ নষ্ট করে ফেলে। পরে তিনি গরুটিকে নিয়ে খামারে বেঁধে রাখেন। এই নিয়ে জামালের ছেলে রনি ও জানুর সঙ্গে তার বাকবিতন্ডা হয়। এক পর্যায়ে কেয়ারটেকার জহিরুল হককে দেখে নেওয়ার হুমকি দেন।

বুধবার ভোর সকালে আশপাশের লোকজন খামারের মাছের পোনাগুলে মরে ভাসতে দেখে কেয়ারটেকার জহিরুল হক ও স্থানীয় ইউপি সদস্য জাহিদুল ইসলাম পারভেজকে অবগত করেন। এরআগেই খামারের সব মাছের পোনা মরে যায়।

কেয়ারটেকার মো. জহিরুল হক বলেন, খামারে উৎপাদিত রুই, কাতল, তেলাপিয়া, শিং, ব্লার্ড কাপ, গ্লাস কাপ, কারপুসহ বিভিন্ন প্রজাতির মাছের পোনা মরে ৩ লক্ষাধিক টাকার ক্ষতি হয়। এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তপূর্বক বিচার দাবি করেন জহিরুল হক।

স্থানীয় ইউপি সদস্য জাহিদুল ইসলাম পারভেজ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, বিষক্রিয়ায় খামারের সব মাছ মারে গেছে। কে বা কারা এই ঘটনা ঘটিয়েছে, তা খোজঁখবর নিয়ে বিচারের আওতায় আনা হবে। অন্যথায় ভুক্তভোগীদের আইনের আশ্রয়ে যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হবে।