১০ই আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৬শে শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ঘূর্ণিঝড় “রিমালের” আঘাতে লণ্ডভণ্ড নোয়াখালীর দ্বীপ উপজেলা হাতিয়া

আমির হামজা (হাতিয়া প্রতিনিধি)-
ঘূর্ণিঝড় রিমালের আঘাতে লণ্ডভণ্ড হয়ে গেছে নোয়াখালীর দ্বীপ উপজেলা হাতিয়া। ভেঙ্গে পড়েছে এখানকার যোগাযোগ ব্যবস্থা। পানির নিছে তলিয়ে গেছে হাতিয়ার বিস্তীর্ণ এলাকা। হাতিয়ার নিঝুমদ্বীপে বেড়িবাঁধ না থাকায় জোয়ার ও টানা বর্ষণের পানিতে প্লাবিত হয়ে গেছে নিঝুম দ্বীপের সব কয়টি গ্রাম।

এছাড়াও হাতিয়ার চর,সোনাদিয়া, তমরদ্দি, সূখচর, চরকিং, কেয়ারিংচর, চরইশ্বর,চতলা ঘাট বয়াচর, নলেরচর,চরগাশিয়া সহ উপকূলীয় তীরসমূহে পানি উন্নয়ন বোর্ডের বেড়িবাঁধ না থাকায় ২৬ মে দিন ও রাতে পূর্ণিমা ও ঘূর্ণিঝড় রিমালের সামুদ্রিক জলোচ্ছ্বাসে লোনা পানিতে প্লাবিত হয়ে কাঁচা ঘরভিটা বাড়ির মাটি ভেঙ্গে গেছে। গবাদিপশু,হাঁস-মুরগী মাছের ঘের, মৌসুমী বিভিন্ন ফল ও ফসলের ব্যাপক ক্ষয় ক্ষতি হয়েছে।

হাতিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) শুভাশীষ চাকমা জানান দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ায় এ মুহুর্তে ক্ষতিগ্রস্তদের ক্ষয়ক্ষতির সঠিক তথ্য বলা যাচ্ছে না। তবে দ্রুত সময়ের মধ্যে ক্ষয়ক্ষতির বিস্তারিত জানা যাবে। এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

এদিকে ঘূর্ণিঝড়ে লবণাক্ত পানির বিষাক্ততা ও সুপেয় পানির সংকটের কারণে সাধারণ মানুষ ডায়রিয়া, আমাশয়, এলার্জি (চর্ম)রোগসহ নানাবিধ পেটের পীড়ায় আক্রান্ত হতে পারে বলে আশংকা করছেন স্থানীয় চিকিৎসকগন।

স্থানীয় সাংসদ মোহাম্মদ আলী জানান, হাতিয়াবাসীর প্রাণের দাবি হাতিয়ার জনবসতি চর এলাকায় বেড়িবাঁধ নির্মাণ, ভাঙ্গা বেড়িবাঁধ পুননির্মাণ করা, যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন ও নদী ভাঙ্গনরোধ সহ হাতিয়ার জনসাধারণকে বিপদ থেকে রক্ষা করার জন্য সরকারের নিকট দাবি জানানো হবে।

সর্বাধিক পঠিত

‘ঈদ যাত্রায় দু-একটি পরিবহন নির্ধারিত ভাড়ার চেয়েও কম নিচ্ছে’

ঘূর্ণিঝড় “রিমালের” আঘাতে লণ্ডভণ্ড নোয়াখালীর দ্বীপ উপজেলা হাতিয়া

আপডেট: ১১:৩০:৫৯ পূর্বাহ্ণ, মঙ্গলবার, ২৮ মে ২০২৪

আমির হামজা (হাতিয়া প্রতিনিধি)-
ঘূর্ণিঝড় রিমালের আঘাতে লণ্ডভণ্ড হয়ে গেছে নোয়াখালীর দ্বীপ উপজেলা হাতিয়া। ভেঙ্গে পড়েছে এখানকার যোগাযোগ ব্যবস্থা। পানির নিছে তলিয়ে গেছে হাতিয়ার বিস্তীর্ণ এলাকা। হাতিয়ার নিঝুমদ্বীপে বেড়িবাঁধ না থাকায় জোয়ার ও টানা বর্ষণের পানিতে প্লাবিত হয়ে গেছে নিঝুম দ্বীপের সব কয়টি গ্রাম।

এছাড়াও হাতিয়ার চর,সোনাদিয়া, তমরদ্দি, সূখচর, চরকিং, কেয়ারিংচর, চরইশ্বর,চতলা ঘাট বয়াচর, নলেরচর,চরগাশিয়া সহ উপকূলীয় তীরসমূহে পানি উন্নয়ন বোর্ডের বেড়িবাঁধ না থাকায় ২৬ মে দিন ও রাতে পূর্ণিমা ও ঘূর্ণিঝড় রিমালের সামুদ্রিক জলোচ্ছ্বাসে লোনা পানিতে প্লাবিত হয়ে কাঁচা ঘরভিটা বাড়ির মাটি ভেঙ্গে গেছে। গবাদিপশু,হাঁস-মুরগী মাছের ঘের, মৌসুমী বিভিন্ন ফল ও ফসলের ব্যাপক ক্ষয় ক্ষতি হয়েছে।

হাতিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) শুভাশীষ চাকমা জানান দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ায় এ মুহুর্তে ক্ষতিগ্রস্তদের ক্ষয়ক্ষতির সঠিক তথ্য বলা যাচ্ছে না। তবে দ্রুত সময়ের মধ্যে ক্ষয়ক্ষতির বিস্তারিত জানা যাবে। এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

এদিকে ঘূর্ণিঝড়ে লবণাক্ত পানির বিষাক্ততা ও সুপেয় পানির সংকটের কারণে সাধারণ মানুষ ডায়রিয়া, আমাশয়, এলার্জি (চর্ম)রোগসহ নানাবিধ পেটের পীড়ায় আক্রান্ত হতে পারে বলে আশংকা করছেন স্থানীয় চিকিৎসকগন।

স্থানীয় সাংসদ মোহাম্মদ আলী জানান, হাতিয়াবাসীর প্রাণের দাবি হাতিয়ার জনবসতি চর এলাকায় বেড়িবাঁধ নির্মাণ, ভাঙ্গা বেড়িবাঁধ পুননির্মাণ করা, যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন ও নদী ভাঙ্গনরোধ সহ হাতিয়ার জনসাধারণকে বিপদ থেকে রক্ষা করার জন্য সরকারের নিকট দাবি জানানো হবে।