২১শে মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৭ই চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

আমরা একটি সুস্থ জাতি দেখতে চাই: সেনাপ্রধান

ছবি: সংগৃহীত

আমরা একটি সুস্থ জাতি দেখতে চাই জানিয়ে সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান বলেছেন, একটি সুস্থ জাতি পেলে দেশের জন্য বড় কাজে দেবে। শনিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) ঢাকা আন্তর্জাতিক ম্যারাথন-২০২৫ এর অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। এবার ১০ হাজার দৌড়বিদ এতে অংশ নিয়েছেন। এর মধ্যে ১০টি দেশের বেশ কয়েকজন বিদেশি ম্যারাথনার প্রতিনিধিত্ব করছেন।

এর আগে, ভোর ৫টায় রাজধানীর ৩০০ ফিটে এই ম্যারাথনের প্রথম দৌঁড় শুরু হয়। এবারের প্রতিপাদ্য ‘রান ফর ইউনিটি, রান ফর হিউম্যানিটি।’ এখন পর্যন্ত দেশে আয়োজিত ম্যারাথনের মধ্যে এটিই সবচেয়ে বড়।

আন্তর্জাতিক ম্যারাথনের পাশাপাশি এ ধরনের ম্যারাথন বড় বড় শহর ও জেলা শহরে আয়োজন করা হবে জানিয়ে সেনাপ্রধান বলেন, আমার একটা সুন্দর ম্যারাথন করলাম। এখানে দেশি-বিদেশি ১০ হাজারের ওপরে দৌঁড়বিদ ছিলেন। এখানে উদ্দেশ্য জয়-পরাজয় নয়।

উদ্দেশ্য ছিল, দেশ ও জাতিকে ফিজিক্যালি ল’ অন্তর্ভুক্ত করা। আজ যে সাড়া পেয়েছি, আমরা অভিভূত। পরবর্তী সময়েও এ ধরনের ম্যারাথন অনুষ্ঠিত হবে। আগামী ৩১ জানুয়ারি আন্তর্জাতিক ম্যারাথন অনুষ্ঠিত হবে বলেও জানান তিনি।

মিলিটারি একাডেমিতে এখন ক্যাডেট নেই মন্তব্য করে জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান বলেন, আগে যেমন সুস্থতা ছিল, এখন সে রকম পাই না। এর অন্যতম কারণ হলো, আজ-কাল তরুণরা শারীরিক কার্যকলাপে খুব বেশি সচেতন না।

আগের মতো খেলার মাঠ নেই, দৌড়ঝাঁপও কমে গেছে। খেলা-ধুলায় সুযোগ-সুবিধাও কম গেছে। এ জন্য আমরা উদ্যোগ নিয়েছি, ম্যারাথনের মাধ্যমে তরুণ প্রজন্মকে সংযুক্ত করবো।

সর্বাধিক পঠিত

‘ঈদ যাত্রায় দু-একটি পরিবহন নির্ধারিত ভাড়ার চেয়েও কম নিচ্ছে’

আমরা একটি সুস্থ জাতি দেখতে চাই: সেনাপ্রধান

আপডেট: ০৮:৫৯:০৩ অপরাহ্ণ, শনিবার, ৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৫

ছবি: সংগৃহীত

আমরা একটি সুস্থ জাতি দেখতে চাই জানিয়ে সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান বলেছেন, একটি সুস্থ জাতি পেলে দেশের জন্য বড় কাজে দেবে। শনিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) ঢাকা আন্তর্জাতিক ম্যারাথন-২০২৫ এর অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। এবার ১০ হাজার দৌড়বিদ এতে অংশ নিয়েছেন। এর মধ্যে ১০টি দেশের বেশ কয়েকজন বিদেশি ম্যারাথনার প্রতিনিধিত্ব করছেন।

এর আগে, ভোর ৫টায় রাজধানীর ৩০০ ফিটে এই ম্যারাথনের প্রথম দৌঁড় শুরু হয়। এবারের প্রতিপাদ্য ‘রান ফর ইউনিটি, রান ফর হিউম্যানিটি।’ এখন পর্যন্ত দেশে আয়োজিত ম্যারাথনের মধ্যে এটিই সবচেয়ে বড়।

আন্তর্জাতিক ম্যারাথনের পাশাপাশি এ ধরনের ম্যারাথন বড় বড় শহর ও জেলা শহরে আয়োজন করা হবে জানিয়ে সেনাপ্রধান বলেন, আমার একটা সুন্দর ম্যারাথন করলাম। এখানে দেশি-বিদেশি ১০ হাজারের ওপরে দৌঁড়বিদ ছিলেন। এখানে উদ্দেশ্য জয়-পরাজয় নয়।

উদ্দেশ্য ছিল, দেশ ও জাতিকে ফিজিক্যালি ল’ অন্তর্ভুক্ত করা। আজ যে সাড়া পেয়েছি, আমরা অভিভূত। পরবর্তী সময়েও এ ধরনের ম্যারাথন অনুষ্ঠিত হবে। আগামী ৩১ জানুয়ারি আন্তর্জাতিক ম্যারাথন অনুষ্ঠিত হবে বলেও জানান তিনি।

মিলিটারি একাডেমিতে এখন ক্যাডেট নেই মন্তব্য করে জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান বলেন, আগে যেমন সুস্থতা ছিল, এখন সে রকম পাই না। এর অন্যতম কারণ হলো, আজ-কাল তরুণরা শারীরিক কার্যকলাপে খুব বেশি সচেতন না।

আগের মতো খেলার মাঠ নেই, দৌড়ঝাঁপও কমে গেছে। খেলা-ধুলায় সুযোগ-সুবিধাও কম গেছে। এ জন্য আমরা উদ্যোগ নিয়েছি, ম্যারাথনের মাধ্যমে তরুণ প্রজন্মকে সংযুক্ত করবো।