২২শে মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৮ই চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

নোয়াখালীতে নিখোঁজের দুইদিন পর খালে মিলল প্রতিবন্ধী শিশুর মরদেহ

স্টাফ রিপোর্টার:
নোয়াখালীর চাটখিল উপজেলায় নিখোঁজের দুই দিন পর খাল থেকে এক আরিফ হোসেন (১৩) নামে মানসিক বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী শিশুর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

সোমবার (১৪ জুলাই) সকাল ১০টার দিকে উপজেলার বদলকোট ইউনিয়নের মেঘা খাল থেকে ওই শিশুর মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

আরিফ উপজেলার বদলকোট ইউনিয়নের পরকোট গ্রামের পাটোয়ারী বাড়ির জামাল হোসেনের ছেলে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আরিফ মাঝে মধ্যে রাতে বাড়িতে যেত না, বাহিরে থাকত, ঘুরাঘুরি করত। রাতে বাড়িতে না থেকে পরের দিন সকালে বাড়িতে চলে যেত। গত শনিবার রাতে আরিফ বাড়িতে না যাওয়ায় রোববার সকাল থেকে তার পরিবারের সদস্যরা তাকে খোঁজাখুজি শুরু করে। সোমবার সকালে স্থানীয় লোকজন উপজেলার বদলকোর্ ইউনিয়নের মেঘা খালে একটি মরদেহ ভাসতে দেখে জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯-এ কল দেয়। খবর পেয়ে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়। তাৎক্ষণিক একটি শিশুর মরদেহ উদ্ধারের ছবি ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়লে নিহত শিশুর বাবা ঘটনাস্থলে যায়। সেখানে তিনি ছেলের মরদেহ দেখে চিনতে পারেননি। পরে তার মা থানায় এসে ছেলের মরদেহ দেখে ছেলের পরিচয় নিশ্চিত করে। নিহতের পরিবারের এক সদস্য দাবি করেন, আরিফ হয়তো কারো ঘরে ঢুকতে চেষ্টা তাকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়।

চাটখিল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ ফিরোজ উদ্দিন চৌধুরী বলেন, শিশুর মরদেহ খালের পানিতে উপুড় হয়ে ছিল। এতে শরীরের বিভিন্ন অংশসহ চোখ,মুখ ফুলে যায়। শরীরে এ পর্যন্ত কোন আঘাতের চিহৃ পাওয়া যায়নি। তবে ময়না তদন্তের রিপোর্ট হাতে ফেলে মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে। মরদেহ ময়না তদন্তের জন্য ২৫০ নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হচ্ছে।

সর্বাধিক পঠিত

‘ঈদ যাত্রায় দু-একটি পরিবহন নির্ধারিত ভাড়ার চেয়েও কম নিচ্ছে’

নোয়াখালীতে নিখোঁজের দুইদিন পর খালে মিলল প্রতিবন্ধী শিশুর মরদেহ

আপডেট: ০২:২৭:৫৯ পূর্বাহ্ণ, বুধবার, ১৬ জুলাই ২০২৫

স্টাফ রিপোর্টার:
নোয়াখালীর চাটখিল উপজেলায় নিখোঁজের দুই দিন পর খাল থেকে এক আরিফ হোসেন (১৩) নামে মানসিক বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী শিশুর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

সোমবার (১৪ জুলাই) সকাল ১০টার দিকে উপজেলার বদলকোট ইউনিয়নের মেঘা খাল থেকে ওই শিশুর মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

আরিফ উপজেলার বদলকোট ইউনিয়নের পরকোট গ্রামের পাটোয়ারী বাড়ির জামাল হোসেনের ছেলে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আরিফ মাঝে মধ্যে রাতে বাড়িতে যেত না, বাহিরে থাকত, ঘুরাঘুরি করত। রাতে বাড়িতে না থেকে পরের দিন সকালে বাড়িতে চলে যেত। গত শনিবার রাতে আরিফ বাড়িতে না যাওয়ায় রোববার সকাল থেকে তার পরিবারের সদস্যরা তাকে খোঁজাখুজি শুরু করে। সোমবার সকালে স্থানীয় লোকজন উপজেলার বদলকোর্ ইউনিয়নের মেঘা খালে একটি মরদেহ ভাসতে দেখে জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯-এ কল দেয়। খবর পেয়ে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়। তাৎক্ষণিক একটি শিশুর মরদেহ উদ্ধারের ছবি ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়লে নিহত শিশুর বাবা ঘটনাস্থলে যায়। সেখানে তিনি ছেলের মরদেহ দেখে চিনতে পারেননি। পরে তার মা থানায় এসে ছেলের মরদেহ দেখে ছেলের পরিচয় নিশ্চিত করে। নিহতের পরিবারের এক সদস্য দাবি করেন, আরিফ হয়তো কারো ঘরে ঢুকতে চেষ্টা তাকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়।

চাটখিল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ ফিরোজ উদ্দিন চৌধুরী বলেন, শিশুর মরদেহ খালের পানিতে উপুড় হয়ে ছিল। এতে শরীরের বিভিন্ন অংশসহ চোখ,মুখ ফুলে যায়। শরীরে এ পর্যন্ত কোন আঘাতের চিহৃ পাওয়া যায়নি। তবে ময়না তদন্তের রিপোর্ট হাতে ফেলে মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে। মরদেহ ময়না তদন্তের জন্য ২৫০ নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হচ্ছে।