৩রা নভেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১৮ই কার্তিক, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

তিস্তার পানি বিপৎসীমার ওপরে, নদীপাড়ে আতঙ্ক

  • আপডেট: ১০:৪৪:৫৮ পূর্বাহ্ণ, সোমবার, ৪ আগস্ট ২০২৫
  • ৯৭৮

ছবি: সংগৃহীত

উত্তরাঞ্চলে ভারী বর্ষণ ও উজান থেকে নেমে আসা ঢলে ফের তিস্তা নদীর পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করেছে। এতে নদীতীরবর্তী এলাকায় বন্যার আশঙ্কা তৈরি হওয়ায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। অনেকে পরিবার-পরিজন নিয়ে নিরাপদ আশ্রয়ে সরে যাচ্ছেন।

রোববার (৩ আগস্ট) বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন তিস্তা ব্যারাজের পানি পরিমাপক নূরুল ইসলাম।

তিনি বলেন, দেশের বৃহত্তম সেচ প্রকল্প তিস্তা ব্যারাজে বিপৎসীমা ধরা হয় ৫২ দশমিক ১৫ সেন্টিমিটার। রোববার দুপুর ৩টায় পানিপ্রবাহ রেকর্ড করা হয়েছে ৫২ দশমিক ২০ সেন্টিমিটার, যা বিপৎসীমার ৫ সেন্টিমিটার ওপরে। সকাল ৯টায় পানি বিপৎসীমার সমান ছিল এবং সকাল ৬টায় ৫২ দশমিক ১৩ সেন্টিমিটার নিচে ছিল।

স্থানীয় প্রশাসন জানিয়েছে, নদীপাড়ের মানুষদের সতর্ক করা হয়েছে এবং ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা থেকে নিরাপদ স্থানে সরে যেতে বলা হয়েছে।

টেপাখড়িবাড়ী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান রবিউল ইসলাম শাহিন বলেন, পানি এভাবে বাড়তে থাকলে রাতের মধ্যেই বন্যার সৃষ্টি হতে পারে। তাই আমরা সবাইকে আগে থেকেই সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছি।

এ বিষয়ে ডালিয়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী অমিতাভ চৌধুরী বলেন, তিস্তার পানি সকালে সামান্য কমলেও দুপুরের পর আবার বেড়েছে। বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে, তবে আমরা সার্বক্ষণিক নজরদারি করছি।

সর্বাধিক পঠিত

শিগগিরই খুলে দেওয়া হবে বন্ধ গার্মেন্টস কারখানা: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

তিস্তার পানি বিপৎসীমার ওপরে, নদীপাড়ে আতঙ্ক

আপডেট: ১০:৪৪:৫৮ পূর্বাহ্ণ, সোমবার, ৪ আগস্ট ২০২৫

ছবি: সংগৃহীত

উত্তরাঞ্চলে ভারী বর্ষণ ও উজান থেকে নেমে আসা ঢলে ফের তিস্তা নদীর পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করেছে। এতে নদীতীরবর্তী এলাকায় বন্যার আশঙ্কা তৈরি হওয়ায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। অনেকে পরিবার-পরিজন নিয়ে নিরাপদ আশ্রয়ে সরে যাচ্ছেন।

রোববার (৩ আগস্ট) বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন তিস্তা ব্যারাজের পানি পরিমাপক নূরুল ইসলাম।

তিনি বলেন, দেশের বৃহত্তম সেচ প্রকল্প তিস্তা ব্যারাজে বিপৎসীমা ধরা হয় ৫২ দশমিক ১৫ সেন্টিমিটার। রোববার দুপুর ৩টায় পানিপ্রবাহ রেকর্ড করা হয়েছে ৫২ দশমিক ২০ সেন্টিমিটার, যা বিপৎসীমার ৫ সেন্টিমিটার ওপরে। সকাল ৯টায় পানি বিপৎসীমার সমান ছিল এবং সকাল ৬টায় ৫২ দশমিক ১৩ সেন্টিমিটার নিচে ছিল।

স্থানীয় প্রশাসন জানিয়েছে, নদীপাড়ের মানুষদের সতর্ক করা হয়েছে এবং ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা থেকে নিরাপদ স্থানে সরে যেতে বলা হয়েছে।

টেপাখড়িবাড়ী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান রবিউল ইসলাম শাহিন বলেন, পানি এভাবে বাড়তে থাকলে রাতের মধ্যেই বন্যার সৃষ্টি হতে পারে। তাই আমরা সবাইকে আগে থেকেই সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছি।

এ বিষয়ে ডালিয়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী অমিতাভ চৌধুরী বলেন, তিস্তার পানি সকালে সামান্য কমলেও দুপুরের পর আবার বেড়েছে। বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে, তবে আমরা সার্বক্ষণিক নজরদারি করছি।