৪ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২১শে মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট নিয়ে কি ভাবছে নোয়াখালী সরকারি কলেজের শিক্ষার্থীরা 

  • আপডেট: ১০:০৯:২৭ অপরাহ্ণ, বুধবার, ৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
  • ৮৩৪
মোঃ নুর হোসাইন :
শীতের তীব্রতা যখন কমতে শুরু করেছে তখন রাজনীতির মাঠে উত্তাপ যেন বেড়েই চলছে। শেখ হাসিনার ফ্যাসিস্ট শাসনামলে অনুষ্ঠিত তিন তিনটি জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোট দিতে পারেনি দেশের মানুষ। বিশেষ করে তরুণ প্রজন্মের বিশাল একটি অংশ তাদের জীবনের প্রথম ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেনি এখনো। ২০২৪ সালের ৫ আগষ্ট ছাত্র-জনতার গণ অভ্যুত্থানের মাধ্যমে বাংলাদেশে ফ্যাসিস্ট হাসিনার পতন হয় এবং প্রফেসর ইউনুসের নেতৃত্বে গঠিত হয় অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। আর সেই অন্তর্বর্তী সরকারের অধীনেই আগামী ১২ ফেব্রুয়ারী অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে দেশের সবচেয়ে আলোচিত ও গুরুত্বপূর্ণ এই ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। এছাড়াও একইদিনে আলাদা ব্যালট পেপারে ঐতিহাসিক জুলাই সনদ বাস্তবায়ন ও রাষ্ট্রের মৌলিক সংস্কার বাস্তবায়নের জন্য অনুষ্ঠিত হবে গণভোট।এই নির্বাচনকে ঘিরে যেমন উচ্ছাস রয়েছে তেমনি উদ্বেগের কথাও জানাচ্ছেন শিক্ষার্থীরা।

ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের শিক্ষার্থী আবুল হাসনাত রিজভী বলেন, আমার আগে ভোট দেওয়ার সুযোগ হয়নি, এবারই আমি প্রথম ভোট দিবো। আসন্ন নির্বাচনকে ঘিরে একটা আমেজ দেখা যাচ্ছে তাই আমি আশা করি আমরা সুষ্ঠু ভাবে ভোট প্রদান করতে পারবো।আমি নোয়াখালীর ভোটার হিসেবে যিনি আমাদের নোয়াখালীর উন্নয়নের জন্য কাজ করবে, যিনি সৎ ও যোগ্য এমন প্রার্থী দেখেই আমরা বাছাই করবো। গণভোট নিয়ে তিনি জানান, দেশের সংস্কারের জন্য আমরা গণভোটে হ্যাঁ দিবো।কেননা আমি নিজেও চাই একজন প্রধানমন্ত্রী যাতে দুইবারের বেশি ক্ষমতায় না থাকে। অতীতে আমরা দেখেছি বেশি সময় ধরে ক্ষমতায় থাকলে তার মধ্যে স্বৈরাচারী মনোভাব তৈরি হয়।তাই স্বৈরাচার রুখে দিতে এবং সংস্কারের জন্য গণভোটে অবশ্যই হ্যাঁ।

রসায়ন বিভাগের শিক্ষার্থী তন্বী মজুমদার জানান, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের কাছে আমরা আশা রাখি আমাদেরকে একটি সুষ্ঠু, নিরেপক্ষ নির্বাচন উপহার দিবেন। যিনি তরুণ সমাজকে নিয়ে কাজ করবেন, আমাদের শিক্ষাখাত সহ আমাদের অনেক গুলো খাত রয়েছে যিনি সব গুলো খাতে ভূমিকা রাখবেন কাজ করবেন এমন প্রার্থীকেই আমরা চাই।

অর্থনীতি বিভাগের শিক্ষার্থী তামজিদুর রহমান রায়হান বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শক্তি হিসেবে যে আকাঙ্খা নিয়ে আমাদের ভাইয়েরা জীবন দিয়েছেন সেই আকাঙ্খা বাস্তবায়নের জন্য গণভোটে হ্যাঁ দিবো। আমি তরুণ সমাজকে আহ্বান করছি নতুন বাংলাদেশের যে স্বপ্ন আমরা দেখেছি সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নের জন্য হলেও গণভোটে সবাই হ্যাঁ দিন। তিনি আরো বলেন, সুন্দর দেশ গড়ার জন্য সৎ, যোগ্য প্রার্থীকে আমরা বাছাই করবো। আমরা কোনো দল কিংবা প্রতীক দেখে ভোট দিবোনা, আমরা প্রার্থীদের যোগ্যতা, সততা এবং আমাদের জেলার উন্নয়নের জন্য দেওয়া ইশতেহার এসবকিছু পর্যবেক্ষণ করে তারপর ভোট দিবো।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট নিয়ে কি ভাবছে নোয়াখালী সরকারি কলেজের শিক্ষার্থীরা 

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট নিয়ে কি ভাবছে নোয়াখালী সরকারি কলেজের শিক্ষার্থীরা 

আপডেট: ১০:০৯:২৭ অপরাহ্ণ, বুধবার, ৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
মোঃ নুর হোসাইন :
শীতের তীব্রতা যখন কমতে শুরু করেছে তখন রাজনীতির মাঠে উত্তাপ যেন বেড়েই চলছে। শেখ হাসিনার ফ্যাসিস্ট শাসনামলে অনুষ্ঠিত তিন তিনটি জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোট দিতে পারেনি দেশের মানুষ। বিশেষ করে তরুণ প্রজন্মের বিশাল একটি অংশ তাদের জীবনের প্রথম ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেনি এখনো। ২০২৪ সালের ৫ আগষ্ট ছাত্র-জনতার গণ অভ্যুত্থানের মাধ্যমে বাংলাদেশে ফ্যাসিস্ট হাসিনার পতন হয় এবং প্রফেসর ইউনুসের নেতৃত্বে গঠিত হয় অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। আর সেই অন্তর্বর্তী সরকারের অধীনেই আগামী ১২ ফেব্রুয়ারী অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে দেশের সবচেয়ে আলোচিত ও গুরুত্বপূর্ণ এই ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। এছাড়াও একইদিনে আলাদা ব্যালট পেপারে ঐতিহাসিক জুলাই সনদ বাস্তবায়ন ও রাষ্ট্রের মৌলিক সংস্কার বাস্তবায়নের জন্য অনুষ্ঠিত হবে গণভোট।এই নির্বাচনকে ঘিরে যেমন উচ্ছাস রয়েছে তেমনি উদ্বেগের কথাও জানাচ্ছেন শিক্ষার্থীরা।

ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের শিক্ষার্থী আবুল হাসনাত রিজভী বলেন, আমার আগে ভোট দেওয়ার সুযোগ হয়নি, এবারই আমি প্রথম ভোট দিবো। আসন্ন নির্বাচনকে ঘিরে একটা আমেজ দেখা যাচ্ছে তাই আমি আশা করি আমরা সুষ্ঠু ভাবে ভোট প্রদান করতে পারবো।আমি নোয়াখালীর ভোটার হিসেবে যিনি আমাদের নোয়াখালীর উন্নয়নের জন্য কাজ করবে, যিনি সৎ ও যোগ্য এমন প্রার্থী দেখেই আমরা বাছাই করবো। গণভোট নিয়ে তিনি জানান, দেশের সংস্কারের জন্য আমরা গণভোটে হ্যাঁ দিবো।কেননা আমি নিজেও চাই একজন প্রধানমন্ত্রী যাতে দুইবারের বেশি ক্ষমতায় না থাকে। অতীতে আমরা দেখেছি বেশি সময় ধরে ক্ষমতায় থাকলে তার মধ্যে স্বৈরাচারী মনোভাব তৈরি হয়।তাই স্বৈরাচার রুখে দিতে এবং সংস্কারের জন্য গণভোটে অবশ্যই হ্যাঁ।

রসায়ন বিভাগের শিক্ষার্থী তন্বী মজুমদার জানান, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের কাছে আমরা আশা রাখি আমাদেরকে একটি সুষ্ঠু, নিরেপক্ষ নির্বাচন উপহার দিবেন। যিনি তরুণ সমাজকে নিয়ে কাজ করবেন, আমাদের শিক্ষাখাত সহ আমাদের অনেক গুলো খাত রয়েছে যিনি সব গুলো খাতে ভূমিকা রাখবেন কাজ করবেন এমন প্রার্থীকেই আমরা চাই।

অর্থনীতি বিভাগের শিক্ষার্থী তামজিদুর রহমান রায়হান বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শক্তি হিসেবে যে আকাঙ্খা নিয়ে আমাদের ভাইয়েরা জীবন দিয়েছেন সেই আকাঙ্খা বাস্তবায়নের জন্য গণভোটে হ্যাঁ দিবো। আমি তরুণ সমাজকে আহ্বান করছি নতুন বাংলাদেশের যে স্বপ্ন আমরা দেখেছি সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নের জন্য হলেও গণভোটে সবাই হ্যাঁ দিন। তিনি আরো বলেন, সুন্দর দেশ গড়ার জন্য সৎ, যোগ্য প্রার্থীকে আমরা বাছাই করবো। আমরা কোনো দল কিংবা প্রতীক দেখে ভোট দিবোনা, আমরা প্রার্থীদের যোগ্যতা, সততা এবং আমাদের জেলার উন্নয়নের জন্য দেওয়া ইশতেহার এসবকিছু পর্যবেক্ষণ করে তারপর ভোট দিবো।