১৫ই জানুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১লা মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

নোয়াখালী-৫ আসন থেকে এনসিপির মনোনয়ন ফরম নিলেন বায়োজিদ

  • আপডেট: ০৯:৩১:৩৮ অপরাহ্ণ, শনিবার, ১৫ নভেম্বর ২০২৫
  • ৮৬৬

স্টাফ রিপোর্টার:
দেশের আলোচিত সংসদীয় এলাকা (নোয়াখালী-৫ (কোম্পানিগঞ্জ-কবিরহাট) আসনে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের নেতৃত্ব দেওয়া শিক্ষার্থীদের সংগঠন জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) এর মনোনয়ন ফরম কিনলেন Hlwcraft Ltd. এর চেয়ারম্যান মহিদুল হাসান বায়েজিদ। রাজধানীর রুপায়ন টাওয়ারে অবস্থিত দলটির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে তার হাতে মনোনয়ন ফরম তুলে দেন এনসিপির দক্ষিণাঞ্চলের সংগঠক সানাউল্লাহ খান ও গুলশান থানা সংগঠক ফয়সাল হোসেন।

মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করে মহিদুল হাসান বায়োজিদ বলেন,
প্রচলিত প্রাতিষ্ঠানিক রাজনীতি কোন মতেই আমার নেশা বা পেশা কোনটাই ছিলো না যতটা ছিলো মানুষের অধিকার আদায়ের লড়াই-সংগ্রামে অংশগ্রহণ। বর্তমানে নির্বাচনে লড়াইয়ের মতো এত টাকাপয়সা আমাদের তরুণ রাজনৈতিকদের পকেটে নাই। আমরা মনে করি ১০ বছর পরের নেতৃত্ব বিপুল টাকা পয়সা, পেশিশক্তি, বাগাড়ম্বর বা পরিবার তন্ত্রের হবেনা; সেই নেতৃত্ব হবে প্রজ্ঞা, কর্মদক্ষতা এবং প্রযুক্তিগত দূরদর্শিতার। “দুর্নীতিমুক্ত প্রশাসন এবং ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠা হলো তৃতীয় বিশ্বের দেশগুলোর টেকসই উন্নয়নের প্রথম এবং প্রধান সূত্র”। আমি মনে করি বাংলাদেশের “নতুন রাজনীতি” এই সূত্রের আলোকে পরিচালিত হবে। আমরা আশাবাদী আমাদের নতুন রাজনীতি আগামী ১০ বছরে তৃণমূলে শক্তিশালী এবং ঐক্যবদ্ধ হয়ে ন্যায় ভিত্তিক রাষ্ট্র বিনির্মান করবে।

সর্বাধিক পঠিত

অপারেশন ডেভিল হান্ট-২: নোয়াখালীতে আগ্নেয়াস্ত্র ও গুলিসহ গ্রেপ্তার ২

নোয়াখালী-৫ আসন থেকে এনসিপির মনোনয়ন ফরম নিলেন বায়োজিদ

আপডেট: ০৯:৩১:৩৮ অপরাহ্ণ, শনিবার, ১৫ নভেম্বর ২০২৫

স্টাফ রিপোর্টার:
দেশের আলোচিত সংসদীয় এলাকা (নোয়াখালী-৫ (কোম্পানিগঞ্জ-কবিরহাট) আসনে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের নেতৃত্ব দেওয়া শিক্ষার্থীদের সংগঠন জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) এর মনোনয়ন ফরম কিনলেন Hlwcraft Ltd. এর চেয়ারম্যান মহিদুল হাসান বায়েজিদ। রাজধানীর রুপায়ন টাওয়ারে অবস্থিত দলটির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে তার হাতে মনোনয়ন ফরম তুলে দেন এনসিপির দক্ষিণাঞ্চলের সংগঠক সানাউল্লাহ খান ও গুলশান থানা সংগঠক ফয়সাল হোসেন।

মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করে মহিদুল হাসান বায়োজিদ বলেন,
প্রচলিত প্রাতিষ্ঠানিক রাজনীতি কোন মতেই আমার নেশা বা পেশা কোনটাই ছিলো না যতটা ছিলো মানুষের অধিকার আদায়ের লড়াই-সংগ্রামে অংশগ্রহণ। বর্তমানে নির্বাচনে লড়াইয়ের মতো এত টাকাপয়সা আমাদের তরুণ রাজনৈতিকদের পকেটে নাই। আমরা মনে করি ১০ বছর পরের নেতৃত্ব বিপুল টাকা পয়সা, পেশিশক্তি, বাগাড়ম্বর বা পরিবার তন্ত্রের হবেনা; সেই নেতৃত্ব হবে প্রজ্ঞা, কর্মদক্ষতা এবং প্রযুক্তিগত দূরদর্শিতার। “দুর্নীতিমুক্ত প্রশাসন এবং ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠা হলো তৃতীয় বিশ্বের দেশগুলোর টেকসই উন্নয়নের প্রথম এবং প্রধান সূত্র”। আমি মনে করি বাংলাদেশের “নতুন রাজনীতি” এই সূত্রের আলোকে পরিচালিত হবে। আমরা আশাবাদী আমাদের নতুন রাজনীতি আগামী ১০ বছরে তৃণমূলে শক্তিশালী এবং ঐক্যবদ্ধ হয়ে ন্যায় ভিত্তিক রাষ্ট্র বিনির্মান করবে।